০৪:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার থেকে ১৯ টন চাল এসেছে টেকনাফ স্থলবন্দরে

মিয়ানমারে মংডু শহর থেকে প্রায় দুই বছর পর প্রথম চালানে ১৯ টন চাল ভর্তি একটি ট্রলার কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরের জেটিতে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ট্রলারটি টেকনাফ স্থলবন্দরে আসে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোট টেকনাফ লিমিটেডের ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মেসার্স মেসার্স নিউ বড় বাজার শপিংমল ২৩৭ টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। এরপর মিয়ানমার থেকে আর কোনো ধরনের চাল আমদানি হয়নি। দীর্ঘ প্রায় ২ বছর পরে মেসার্স জিন্না অ্যান্ড ব্রাদার্সের নামে চাল ভর্তি একটি ট্রলার স্থলবন্দরে এসে পৌছায়।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিন্না অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকার শওকত আলী চৌধুরী বলেন, মোহাম্মদ সেলিম নামে একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ১৯ টন চাল নিয়ে এসেছেন। তবে খাদ্য অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ১০২ জন ব্যবসায়ীর অনুমতির কাগজপত্রে জটিলতা থাকায় এখনই চালগুলো সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা বি এম আব্দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, মংডু শহর থেকে ১৯ টন চাল নিয়ে একটি ট্রলার স্থলবন্দরের জেটিতে নোঙর করেছে। আইজিএম জমা দিলে পণ্য খালাসের পাশাপাশি সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
About Author Information

Popular Post

মিয়ানমার থেকে ১৯ টন চাল এসেছে টেকনাফ স্থলবন্দরে

Update Time : ০৫:০৮:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪

মিয়ানমারে মংডু শহর থেকে প্রায় দুই বছর পর প্রথম চালানে ১৯ টন চাল ভর্তি একটি ট্রলার কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরের জেটিতে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে ট্রলারটি টেকনাফ স্থলবন্দরে আসে।

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোট টেকনাফ লিমিটেডের ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মেসার্স মেসার্স নিউ বড় বাজার শপিংমল ২৩৭ টন চাল আমদানি করা হয়েছিল। এরপর মিয়ানমার থেকে আর কোনো ধরনের চাল আমদানি হয়নি। দীর্ঘ প্রায় ২ বছর পরে মেসার্স জিন্না অ্যান্ড ব্রাদার্সের নামে চাল ভর্তি একটি ট্রলার স্থলবন্দরে এসে পৌছায়।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জিন্না অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকার শওকত আলী চৌধুরী বলেন, মোহাম্মদ সেলিম নামে একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ১৯ টন চাল নিয়ে এসেছেন। তবে খাদ্য অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ১০২ জন ব্যবসায়ীর অনুমতির কাগজপত্রে জটিলতা থাকায় এখনই চালগুলো সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা বি এম আব্দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, মংডু শহর থেকে ১৯ টন চাল নিয়ে একটি ট্রলার স্থলবন্দরের জেটিতে নোঙর করেছে। আইজিএম জমা দিলে পণ্য খালাসের পাশাপাশি সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।